Sunday, August 3, 2014

তুমিও কি..... বন্ধু!




○ তুমি কে?
● আমি মানুষ।

○ এর বাইরে?
● এর বাইরে একটা মন আছে আমার, যা সব মানুষেরই থাকে।

○ আর তার বাইরে?
● তার বাইরে আমার চিন্তা করার শক্তি আছে। মুক্তচিন্তা, বদ্ধ-চিন্তা, ভাল চিন্তা, খারাপ চিন্তা সব ধরনের চিন্তা করতে পারি আমি। এখানে আমি স্বাধীন। আমার চিন্তায় কেউ হস্তক্ষেপ করতে পারে না। তবে কেউ কেউ তার প্রতিচ্ছবি ফেলতে পারে মাত্র।

○ তারও বাইরে কিছু আছে কি?
● হ্যাঁ! তারও বাইরে আরও একটা জিনিষ আছে। একটা শক্তি আছে। শক্তিটা হচ্ছে অন্যকে আপন করে নেবার কিংবা তাদের সবার আপন হয়ে যাবার। যে শক্তির বলে মানুষ মানুষের আপন হয়, বন্ধুত্ব তৈরি হয়, হয় ভাল কিছু সম্পর্কের।

আচ্ছা, এবার আমকে তুমি বল তো,
তোমার ভেতরেও কি আছে এই বৈশিষ্ট্য গুলি??
তুমিও কি আমারই মত মানুষ?
তোমার মনটাও কি প্রায় আমারই মতন করে চিন্তা করতে পারে??
বন্ধু হবার আর সেই বন্ধুত্বের সম্পর্কটাকে টিকিয়ে রাখার মত প্রচণ্ড রকমের মানুষিক শক্তি কি আছে তোমার ভেতরে??



বন্ধু দিবসের অনেক অনেক শুভেচ্ছা আর শুভকামনা সকলের জন্যে.....


Read More »
Monday, July 14, 2014

...বিশ্বকাপ উন্মাদনা...


...বিশ্বকাপ উন্মাদনা...


লন্ডনের Emma Allen নামের একজন আর্টিস্ট নিজেকে বিশ্বকাপের ট্রফি হিসেবে উপস্থাপন করেছে। এই কাজটি করতে তার প্রায় ৩ ঘণ্টা সময় ব্যয় হয়েছে। আয়নার সামনে বসে নিজের চামড়ায় নিজেই রং করে গেছেন। আর তারপর কালো কুশনের সহায়তায় নিজেকে ঢেকে নিয়ে এই পেট্রিয়ট টাইপের ছবিটি তুলেছেন। imgur.com এ সেটা পোষ্ট করার পর এখন পর্যন্ত ছবিটি ৬,২৪,৮৫৫ বার হিট হয়েছে। 

London Evening Standard কে দেয়া একটা ইন্টার্ভিউতে Emma জানান যে, "সবচেয়ে কঠিন অংশটা ছিল হাতের কারুকাজটাকে মিলানো। আমাকে অনেক গুলি শট নিতে হয়েছে একে সঠিক রূপে উপস্থাপন করার জন্যে।" 

বিশ্বকাপকে ঘিরে নিজের উন্মাদনা আপন মেধা খাটিয়েও দেখানো যায়, এটা হচ্ছে তার একটা উজ্জ্বল প্রমাণ।




Read More »
Sunday, March 9, 2014

সম্মান, ভালবাসা, বিশ্বাস সব তোমায় ঘিরে......




তোমাকে সম্মান করি, তাই 'মা' বলে ডাকি
তোমাকে আদর করি, তাই 'বোন' ডেকেই ঝগড়া করি
তোমাকে করি বিশ্বাস, তাই মনের গহীনে তোমারই বসবাস
আর যখন ভরসা রূপে আমিই তোমার ছায়া, তখন তুমি 'মেয়ে' রূপে কর হাজারটা বায়না

এভাবেই রোজ রোজ তোমায় দেখি স্নেহময়ী মা'য়ের রূপে,
এভাবেই রোজ রোজ তোমায় ক্ষেপাই, ঝগড়াটে ঐ বোনটি ভেবে,
এভাবেই রোজ রোজ তোমায় ডাকি, সঙ্গী ভেবে, বিশ্বাসের কেন্দ্র ভেবে,
হাত ধরে এগিয়ে চলি আমার শক্তি ভেবে, আদরের মেয়েটি জেনে....

তবে কেন শুধু এই একদিন, সে তো ভাবিই প্রতিদিন.....!!
তবে কেন এই আলাদা দিন? সবই কি তাহলে অভিনয়, বাকি দিন....!! 



Read More »
Saturday, November 16, 2013

চাইনিজদের নিয়ে একটা তথ্য এবং ছোট্ট একটি কৌতুক



চায়নিজদের বেশ কিছু জিনিষ আছে যা মজার ঘটনায় রূপান্তরিত হয়। আসলে ভিন্ন দেশ আর ভিন্ন দেশের সংস্কৃতি আয়ত্বে এনে চলা এত সহজ নয়। সেটা চাইনিজদের এই কাজগুলি দেখলেই বোঝা যায়। তো এমন কিছু ঘটনাই বলি আজ-


কোন ফরেনারের মুখ থেকে যদি একটা চাইনিজ শব্দ বের হয়! সাথে সাথে তারা অভিনন্দনসূচক কিছু ডায়ালগ দেয়া শুরু করে। 
যেমন- 
থাই হাও লা, 
পু-ছুঅ, 
থিং হাও, 
চিন-পু হেন হাও.


ফরেনারের সাথে পরিচিত হওয়ার সময় সব চাইনিজই কিছু কমন প্রশ্ন করে যার মধ্যে-

  • "বয়স কত?" 
  • "BF/GF আছে কিনা?"
  • "বেতন কত?"
  • কিংবা গিফট হিসেবে কিছু দেওয়ার সময় জিনিসটার দাম জিজ্ঞেস করবে!


এ প্রশ্নগুলি যে অস্বস্তিকর তা বুঝতে পারে না।

আপনি চাইলে এমন কিছু প্রশ্নের উত্তর চাইনিজ ভাষায় মুখস্থ করে রাখতে পারেন। প্রয়োজন দেখা মাত্রই কপি পেস্ট করবেন। তবে বিব্রত হবার জন্যে দায়িত্ব আপনাকেই বহন করতে হবে। ভুলে একটার উত্তর অন্যটায় হলেই সেরেছে।

এধরনের ঘটনা নিয়ে আপনাদের একটা জোকস বলি-

জাপানিজ প্রধানমন্ত্রী ওয়াশিংটনে যাওয়া উপলক্ষে কিছু ইংরেজি শিখেছে। এরপর যখন ওবামার সাথে দেখা হইছে তখন জিজ্ঞেস করছে: হু আর উই!

ওবামা ব্যাপারটা বুঝতে পেরে উত্তর দিছে: আম হাজব্যান্ড অফ মিশেল ওবামা

তখন জাপানিজ প্রধানমন্ত্রী বলছে: মি..... ঠু!


( কৌতুকটা নিতান্তই কৌতুক, এটা নিয়ে বাস্তবতার সাথে মিলানোর মত কিছু নেই )


Read More »
Tuesday, November 12, 2013

দিনের শেষে একলা এই আমি....




শীত দরজার কড়া নাড়ছে জোরে জোরে। ইতোমধ্যে দখিনা হাওয়া বন্ধ হয়ে উত্তরের হিম শীতল বাতাস বইতে শুরু করেছে। দিনের সূর্যতাপ ইদানীং আর আগের মত পীড়া দেয় না। আর দুপুর গড়িয়ে কোন রকম বিকলে হলেই ঝুপ করে অন্ধকার নেমে যায় চারদিক থেকে।

হ্যাঁ শীত একেবারেই দরজার বাইরে দাড়িয়ে আছে।
পুরাতন কাঁথা আছে, কিন্তু এইবার শীতের তীব্রতা মনে হয় আমার এই কাঁথাকেও সহ্য করবে না। এখুনি রীতিমতো কাঁথা হাঁপিয়ে উঠে আমাকে উষ্ণ রাখতে গিয়ে।

একটু বাইরে গিয়েছিলেম বিকেলের দিকে একটা কাজে। ফেরার পথে মোড়ের চা'য়ের স্টল থেকে এক কাপ চা খাওয়ার লোভে পেয়ে বসলো। আর তাই গিয়ে সিদ্দিক মিয়ার চায়ের দোকানের সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। শীতের আগমন আর হরতালের উত্তাপ মনে হয় বেচারার ব্যবসাকে একটু মিইয়ে দিয়েছে। আর তাই সে অন্য যেকোনো সন্ধ্যায় ব্যস্ততার এই সময়টাকে আজ টিভি দেখে পার করছে। আমি গিয়ে দাড়াতেই জিজ্ঞাস করলো
- কেমন আছেন? আজ এই সময়? কোন কাজে গিয়েছিলেন নাকি?
- হ্যাঁ, একটু বেরুতে হয়েছিল। কিন্তু হরতালের কারণে কাজটা আজ আর হলো না। তাই চলে এলাম দ্রুতই।
- বসেন, কি দিবো আপনাকে?
- আপাতত এক কাপ চা দিও।

সিদ্দিক মিয়া ধীরে সুস্থে চা বানাতে শুরু করলো। চা প্রস্তুত করাটাও একটা আর্ট। কাপ ধোয়া, তাতে চিনি আর কনডেস্ট মিল্ক দেয়া, ছাঁকনি বসিয়ে তাতে কিছু আলাদা চা'পাতা দেয়া আর সব শেষে কেতলি থেকে গরম পানি ঐ ছাকনিতে ফেলা। ব্যাপারটা ঠিক এইভাবে মনোযোগ নিয়ে দেখিনি। আসলে সবসময় এত ব্যস্ততা থাকে যে, এইসব দেখার সময় কই থাকে হাতে?

সিদ্দিক মিয়া চা বানানো শেষ করে কাপটা এগিয়ে দিলো। আমি একটু আরাম করেই চা খাচ্ছি আর নিউজ চ্যানেল দেখছি সিদ্দিক মিয়ার দোকানের ভেতর দিকটায় বসে। রাজনীতির ব্যাপার স্যাপার নিয়ে কথা বলছে উপস্থাপক। এগুলি শুনতে শুনতে আর ভাল লাগে না। তাই সিদ্দিক মিয়াকে বললাম চ্যানেলটা পাল্টে দিতে। সে বলল কিছুক্ষণ পর নাকি কোন মন্ত্রী অনুষ্ঠানে আসবে। মন্ত্রী কি বলে সেটা শুনতে সে নাকি অনেকক্ষণ ধরে এই চ্যানেলটাই দেখছে। আমি আর কথা বাড়ালাম না। চা খেয়ে চারটা সিগারেট নিয়ে দাম পরিশোধ করে চলে আসলাম।

নাহ, সময় বাড়ার সাথে সাথে উত্তরের বাতাসটাও বাড়ছে। একেবারে কাবু করে দিতে চায়। বিকেলে যখন বেরিয়েছিল তখন এতটা ঠাণ্ডা লাগবে বুঝতে পারলে চাদরটা সাথে করে নিয়ে বেরুতাম। কিন্তু তখন এমন হবে সেটা একটিবারের জন্যেও মনে হয়নি। আর কাজটা তো আরও সময় লাগতো, একবার ভেবেই নিয়েছিলাম যে আজ আর হয়তো আসা হবে না।

এখন বাসায় যেতে হবে। ভাতের রান্না করতে হবে। আলুসিদ্ধ করতে হবে। তারপর আলুভর্তা বানিয়ে খেতে বসতে হবে। নাকি চাল ডাল একত্রে বসিয়ে দিয়ে যেটা হয় ঐটাই করবো চিন্তা করতে করতে মেসে চলে আসলাম। হরতালের কারণে আগেই অনেকে বাড়িতে চলে গিয়েছে। দুই একজন যারা আছে তারা এই মুহূর্তে মেসে নেই। একেবারেই ঠাণ্ডা লাগছে মেসের পরিবেশ। অন্য সময়টাতে কারো কারো রুমে গান শুনতে পারতাম। সাথে তাদের টাস খেলার উচ্চ আওয়াজ। কিন্তু এখন সব নিস্তব্ধের আওয়াজ দিয়ে পরিপূর্ণ।

রান্না ঘরে গিয়ে ভাত বসিয়ে দিয়ে আসলাম। রুমে এসে পত্রিকাটা হাতে নিয়ে কিছুক্ষণ পড়ার চেষ্টা করলাম। কিন্তু এখন সব খবরেই ঐ একটা বিষয় নিয়ে আলোচনা। এটা আর ভাল লাগে না। তাই পত্রিকা রেখে বাইরে আসলাম। মেসের বাইরে একটা ছোট্ট ফাকা জায়গা। প্রতিদিন বিকেলে কিছু ছেলে এখানে ক্রিকেট খেলত। এখন ব্যাডমিন্টন খেলবে কিছুদিন পর থেকে। সেটাও দেখার মত বিষয়।

কিছুক্ষণ দাড়িয়ে থেকে একটা সিগারেট বের করে জ্বালালাম। ধুয়াটা ছাড়লাম উপরের দিকে তাকিয়ে। ছোট বেলার কথা মনে পড়ে গেল। ছোট বেলায় শীতের সময় মুখ দিয়ে ধোয়া ছাড়ার চেষ্টার করতাম এখনকার এই সিগারেটের ধোয়ার মত করে।

আহ! সময় কত দ্রুত চলে যায়। কিছু বুঝে উঠার আগেই কোথা থেকে কোথায় চলে এসেছি। এখনো মনে পড়ে এতিম খানাটার কথা। ছোট্ট জায়গা, খাবার হয়তো ভাল ছিল না। কিন্তু আমার ঐ জায়গাটাই ভাল লাগতো। যখন একত্রে কষ্ট করতাম আমার মত আরও কয়েকজন মিলে তখন কাউকে আলাদা করে কিছু বলতে হতো না। সবাই কিভাবে যেন ঠিকই বুঝে যেত সমস্যাটার কথা। নিজেরাই অন্য কোন একটা বিষয় নিয়ে আসতাম সমস্যাটাকে পেছনে ফেলে দিতে।

কিন্তু মেট্রিক পাশ করার পর তারা আর আমাকে কোন ভাবেই রাখতে চাইলো না। আর তারপর কিছুটা হোঁচট খেয়েই চলে এসেছি এতদূর। রাত বাড়ছে, ঠাণ্ডাটাও বাড়ছে। উপরে তাকিয়ে আকাশের তারা গুলিকে দেখলাম। আর হারাতে লাগলাম তরার মৃদু মনোমুগ্ধকর উজ্জ্বলতায়....


Read More »
 
;