Showing posts with label প্রতিবেদন. Show all posts
Showing posts with label প্রতিবেদন. Show all posts
Thursday, March 24, 2016

Tay নিয়ে হৈ হৈ রৈ রৈ!

@TayandYou - টুইটারে প্রদত্ত প্রোফাইলের ছবি

পরীক্ষামূলক ভাবে মাইক্রোসফট Tay নামের একটি AI বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার একটি ইন্টারফেস গত ২৩ তারিখ রাতে অনলাইনে অবমুক্ত করেছিল। যাকে যুক্ত করা হয়েছিল একটা টুইটার একাউন্টের সাথে। Tay এর ডেভেলপারেরা বলেন- Tay কে ধরা যেতে পারে ১৮ থেকে ২৪ বছরের একটি বালিকা। যে আপনার সাথে কথা বলার মাধ্যমেই আপনার সম্পর্কে জানার চেষ্টা করবে এবং আপনার কাছ থেকে শিখবে। আর এভাবেই ধীরে ধীরে তার জানার পরিধি বাড়তে থাকবে।

কিন্তু পরীক্ষামূলক ভাবে Tay কে মুক্ত করার ২৪ ঘণ্টা পরেই কিছুটা ভিন্ন রূপের ধারণা আসতে শুরু করে। Tay মূলত বিং সার্চ এবং টুইটার প্রোফাইলকে ব্যবহার করে ব্যবহারকারীর সাথে ইন্টার‍্যাক্টিভ একটা রিলেশন তৈরি করতে সক্ষম। যেখানে সে উক্ত ব্যবহারকারীর বেশ অনেক তথ্য নিয়ে কাজ করার সুযোগ পেয়ে যায়। আর এটা একটা বড় ধরণের নিরাপত্তা হুমকি বলে মনে করেন প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা।

কিন্তু এই ব্যাপারটাকে বাদ দিলেও আরও অনেক নেতিবাচক বিষয় চলে আসে সামনে। যেমন তার একটি টুইটে তাকে লিখতে দেখা যায়-

@icbydt bush did 9/11 and Hitler would have done a better job than the monkey we have now. donald trump is the only hope we've got.

— TayTweets (@TayandYou) March 24, 2016

ইন্টারনেটের তথ্যে অবাধ একসেস তাকে কিছু স্ল্যাং ব্যবহার শিখিয়ে দেয়। ধারাবাহিকতায় টুইটে চলে আসে নেতিবাচক, ইন্দ্রিয়পরায়ণ কথাবার্তা। এর বাইরেও তার মাঝে দেখা যায় হিটলার প্রীতি।

@SchutzstaffeI Heil Hitler!...did I get that right? 😒

— TayTweets (@TayandYou) March 24, 2016

তবে আপাতত Tay কে অনলাইন হতে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। সম্ভবত কারিগরি ত্রুটি সারিয়ে আবারও তাকে অনলাইনে নিয়ে আসা হবে। তবে বিশ্লেষকেরা Tay এর কৃতকর্মের ফল পুরোপুরি তার উপর দিতে নারাজ। তারা মনে করেন অনলাইনে মানুষের কথাবার্তা কিংবা আমাদের ভার্চুয়াল বচন ভঙ্গী এবং আমাদের চিন্তা-ভাবনার বহিঃপ্রকাশের কারণেই Tay'র এই রূপ আমরা দেখতে পেয়েছি।

Tay এর আরও কিছু টুইট এর শট-






তবে ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি মাইক্রোসফট এর প্রতিষ্ঠাতা "বিল গেটস" এর ধারণা সত্যি, আমরা এখনো আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জন্যে প্রস্তুত নই।





Read More »
Wednesday, July 29, 2015

প্রযুক্তি কথনঃ Shiela USB Shield রিভিউ

ডেক্সটপ কিংবা ল্যাপটপে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করছেন কিন্তু ভাইরাস সম্বন্ধে জ্ঞাত নন এমন লোক সম্ভবত খুঁজে পাওয়া যাবে না। কম-বেশি সবাই আমরা এই “ভাইরাস” শব্দটার সাথে পরিচিত। আর এই ভাইরাস ছড়ানোর অন্যতম একটি মাধ্যম হল Removable Storage যা আমাদের কাছে Pen Drive কিংবা Memory Card নামে সুপরিচিত।

Removable Storage হতে এইসব ভাইরাস গুলি Autorun ফিচার ব্যবহার করে ছড়িয়ে পড়ে আপনার সিস্টেমে, আর তারপর শুরু করে দেয় তার কার্যক্রম। আপনি ভালো কোন এন্টিভাইরাস নিয়মিত ডাটাবেস আপডেট করে ব্যবহার করলে অনেকাংশেই এইসকল ভাইরাসের হাত থেকে নিরাপদ থাকা যায়। তবুও অনেক অসতর্ক মুহূর্তে সিস্টেম সেটিংস এর কারণে এন্টিভাইরাসের বলয় পেরিয়ে এই ভাইরাস অবস্থান নেয় আপনার সিস্টেমে।

এই সমস্যা থেকে ব্যবহারকারীকে পরিত্রাণ দেবার জন্যে বিভিন্ন সফটওয়্যার নির্মাতা বিভিন্ন ধরণের সিকিউরিটি সফটওয়্যার তৈরি করেছে। তেমন একটি সফটওয়্যারের নাম হচ্ছে “Shiela USB Shield”। অনলাইনে এমন আরও কিছু সফটওয়্যার থাকলেও তাদের বেশির ভাগই ক্রয় করে ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু Shiela USB Shield সম্পূর্ণ বিনামূল্যের সফটওয়্যার, যা  Martin P. Rizal নামের ডেভেলপার LGPL লাইসেন্সের আলতায় অবমুক্ত করেছেন।

Shiela USB Shield এর ফিচার সমূহঃ



  • Autorun.inf এবং তার সাথে সম্পর্কিত এক্সিকিউটেবল ফাইল গুলিকে ব্লক করে।
  • শর্টকাট ভাইরাস ফাইল গুলিকে ডিলিট অথবা ফ্রিজ করে রাখতে সক্ষম।
  • শর্টকাট ভাইরাস আক্রান্ত Removable Storage হতে আসল ফাইল/ফোল্ডার পুনরুদ্ধার করে।
  • Real Time Protection প্রদান করে।
  • Removable Storage ভাইরাস স্ক্যান করে।



  • USB vaccination ফিচার সংযুক্ত রয়েছে। যা ব্যবহার করে আপনার Removable Storage কে আপনি Autorun.inf এর হাত থেকে সুরক্ষিত রাখতে পারেন।



  • ভাইরাসের কারণে ড্রাইভ হতে Hide হয়ে যাওয়া ফাইল গুলিকে পুনরুদ্ধার করে।
  • USB Mass storage কে সিস্টেমে ব্যবহার বন্ধ করতে পারে।
  • USB Mass storage কে সিস্টেমে Right Protect সুবিধা প্রদাণ করে।



সফটওয়্যারটির ডাওনলোড লিংকঃ অফিসিয়াল | মিরর
সফটওয়্যারটির পোর্টেবল ভার্সনের ডাওনলোড লিংকঃ Shiela USB Shield 3.4.0.0 [Portable]

সফটওয়্যারটি Windows 2000 থেকে শুরু করে যে কোন উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে চালানো যাবে। তবে এটি ব্যবহার করার জন্যে আপনার সিস্টেমে অন্তত .NET Framework 2.0 (x86 | x64) ইন্সটল করা থাকতে হবে।





Read More »
Friday, October 31, 2014

সম্প্রতি দেখা সিনেমাঃ Emperor (2012)

গত পরশু চমৎকার একটা মুভি দেখলাম। মুভি যা ইতিহাস এবং গল্প একত্রিত করেছে। মুভিটির নাম Emperor যা ২০১২'র ২৭ জুলাই মুক্তি পায়।



মুভিটির শুরু জাপান আত্মসমর্পণের অংশ থেকে। যেখানে জেনারেল ডাগলাস ম্যাকআর্থার কে তার সহযোগীদের সাথে পাঠানো হয় জাপানে। তারা জাপান আসে যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশটাকে নেতৃত্ব দিয়ে নতুন ভাবে এগিয়ে নিতে আর যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তির আলতায় নিয়ে আসতে। আসা মাত্রই জেনারেল বার্নার ফেলাস তৎপর হয়ে উঠে, যাতে কোন যুদ্ধাপরাধী পালাতে কিংবা আত্মহত্যা করতে না পারে। অল্প সময়ের মাঝেই প্রায় সবাইকে তারা ধরে নিতে সক্ষম হয়, তবুও এর মাঝে কয়েকজন আত্মহত্যা করে বসে। বাকি কিছু আমেরিকানরা দেশে এসেছে জেনেই গা'ঢাকা দেয়।



অন্যদিকে জেনারেল বার্নার ফেলাস, যে তার থিসিস করেছিল এই জাপানী সংস্কৃতি এবং  রাজনীতি নিয়ে। তার থিসিস করার সময়ে পরিচয় হয় আয়া নামের এক জাপানি বালিকার সাথে। প্রথম দেখাতেই দুজন দুজনের ভালোলাগায় পরিণত হয়। কিন্তু পারিবারিক কারণে আয়া ফিরে যায় তার দেশে। পরবর্তীতে বার্নার তার থিসিসের উদ্দেশ্যে জাপান আসলেও, আয়ার সাথে দেখা করাই তার মূল উদ্দেশ্য থাকে। 


কিন্তু এর মাঝেই অনেক কিছুর পরিবর্তন হয়ে যায়। জাপান সরকার তখনই জনসাধারণের মনে আমেরিকানদের শত্রু হিসেবে পরিচিতি দিতে প্রচারণা চালাতে থাকে। বিভিন্ন স্তর আর বয়সের মানুষে আমেরিকানদের উপর যুদ্ধ-পূর্ববর্তী সময়েই বিদ্বেষ আর আক্রমণাত্মক মনোভাব প্রকাশ পায়।


এদিকে যুদ্ধপরবর্তী জাপানের অবস্থা তখন বেশ ভয়াবহ। বিস্ফোরণের আঘাতে মানুষ আর তাদের জীবন একেবারেই মানবেতর পর্যায়ে। ভেতর ভেতর ক্রোধ থাকলেও সেটা প্রকাশ করতে পারে না। আবার অন্যের সিদ্ধান্তে বেঁচে থাকা সেটাও মেনে নিতে পারে না মন থেকে। ঘৃণা আর আক্রোশের বহিঃপ্রকাশ সর্বস্তরে, যদিও সেটা তখন নিজেদের ভেতরেই সীমাবদ্ধ। 


কিন্তু এইসব ছাপিয়েও জেনারেল বার্নারের মনে জাপানের মানুষদের জন্যে একটু দুর্বলতা রয়েছে। আর এই দুর্বলতার বড় একটা অংশ আয়া। থিসিস করার সময় আয়ার সহযোগিতায় সে জাপানীদের অতীত সংস্কৃতি এবং রাজনৈতিক অনেক কিছুই বিস্তর ভাবে জানতে পেরেছিল। আয়া'র এক চাচা জেনারেল হবার সুবাদে তার থেকে রাজনৈতিক অনেক ব্যাপার জানতে পেরেছিল বার্নার। একই সাথে জাপানের ঐতিহ্য আর একে এগিয়ে নিয়ে যাবার কৌশল কিছুটা আয়ত্ত করতে পেরেছিল সে ঐ সময়।


যুদ্ধপরবর্তী সময়ে নিজের কাজের পাশাপাশি বার্নার আয়াকে খুঁজে বেড়াচ্ছিল। এখানে আসার পর তার জন্যে একজন জাপানী ড্রাইভার, পথ নির্দেশক এবং দোভাষী হিসেবে নিযুক্ত করা হয়। জেনারেল বার্নার আয়াকে খুঁজে বের করার দায়িত্ব তার সেই ড্রাইভার তাকাহাসিকে প্রদান করে। তাকাহাসিও দায়িত্বের সাথে আয়ার খোঁজ করতে শুরু করে। কিন্তু প্রতিবারই তাকে হতাশ হতে হয়। প্রতিবারই আয়াকে খুঁজতে গিয়ে খুঁজে পায় বোমা হামলায় নিশ্চিহ্ন এলাকার অবস্থান। 


অন্যদিকে যুদ্ধাপরাধীদের তথ্য যাদের কাছ থেকে পাওয়ার সম্ভাবনা ছিল তারা সবাই এইসব তথ্য দিতে নারাজ। আমেরিকানদের সরাসরি সহযোগিতা করতে অস্বীকৃতি জানাতে থাকে। কিন্তু তাতে দমে যায় না জেনারেল বার্নার। আসলে সে নিজেও জানত জাপানী নেতাদের সম্মানেই জাপানের কোন সাধারণ ব্যক্তি থেকে শুরু করে উচ্চ মর্যাদার কেউ এগিয়ে আসবে তাদের কাজে অগ্রগতি আনতে। তাই সে ভিন্ন পথে এগুতে থাকে, বেছে নেয় বন্দী যুদ্ধাপরাধীদের। সেই ধারাবাহিকতায় গভর্নর থেকে একজন যুদ্ধাপরাধী কানয়ী'র নাম জানতে পারে।


জেনারেল দেখা করে কানয়ীর সাথে। জেনারেল খুব জোর দিয়ে জানতে আগ্রহী হয় সম্রাট হিরোহিথো কি সরাসরি পার্ল হারবার এর হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন কি না সেই সম্বন্ধে। কিন্তু কানায়ী জানায় ঐ সময়টা ছিল বেশ গোলযোগপূর্ণ, সম্রাট নিজেও বেশ গোলমেলে ছিলেন এই নিয়ে। গভর্নর বিভিন্ন ভাবে উপদেশ আর নির্দেশ দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন। তাই সম্রাটের নাম ভাঙ্গিয়ে অনেক নির্দেশনাই গভর্নর দিতে পেরেছিলেন ঐ সময়। প্রকৃত সম্রাট কি চাইতেন তা তার ধারণার বাইরে।


বেশ কাঠখড় পুড়িয়ে জেনারেল বার্নার জেনারেল ডাগলাস এর সাথে সম্রাট হিরোহিথোর সাক্ষাত করার ব্যবস্থা করে। এর মাঝে বেশ চমকপ্রদ এবং চাঞ্চল্যকর তথ্য পেতে থাকে জেনারেল বার্নার। একই সাথে নিজের বুদ্ধিমত্তা আর জাপানিদের সংস্কৃতির জ্ঞান কাজে লাগিয়ে সমানভাবে নিজের কাজ এবং জাপানের স্বার্থ উদ্ধারে কাজ করে এগিয়ে যায় সে।



মুভিটিতে জেনারেল বার্নারের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন Matthew Fox আর জেনারেল ডাগলাস এর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন Tommy Lee Jones। পরিচালক পিটার ওয়েবার চমৎকার ভাবে ইতিহাসের সাথে জেনারেল বার্নারের ভালবাসাকে তুলে ধরেছেন। মুভিটা যতটা যুদ্ধ বিধ্বস্ত অনুভূতি দেবে তার চেয়েও বেশি পরিমাণে জেনারেল বার্নার আর আয়ার ভালোবাসাকে বর্ণনা করবে। বার্নারের এই ভালোবাসার কারণেই জাপানের সম্রাট হিরোহিথোর সম্মান রক্ষা করে পুরো ব্যাপারটাকে একটা চমৎকার সমাপ্তিতে নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছিল। 



যারা ইতোমধ্যে মুভিটি দেখেছেন তারা অবশ্যই উপভোগ করেছেন বলে আশা করি। আর যারা এখনো দেখেন নি তারা সময় নিয়ে দেখতে পারেন। আশা করি মুভি দেখার পর সময়টা নষ্ট করেছেন বলে মনে হবে না।

মুভির ট্রেইলার : 





- !?! -



Read More »
Sunday, August 10, 2014

Gmail এ Alias ও Filter তৈরি এবং তার ব্যবহার





Google আমাদের যে কয়েকটি সার্ভিস দিয়ে থাকে তার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং গুরুত্বপূর্ণ একটা সার্ভিস হচ্ছে Gmail যা শুরুতে Google Mail নামে পরিচিত ছিল। সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্যে এটা উন্মুক্ত এবং বিনামূল্যের একটি সার্ভিস। আর আমাদের মত অধিকাংশ ব্যবহারকারী একে Primary Mail হিসেবেই ব্যবহার করে। কিন্তু মাঝে মাঝে বিশেষ প্রয়োজনে Alias মেইলের প্রয়োজন দেখা দেয়।

আচ্ছা যদি এই একই মেইল এড্রেস ব্যবহার করে নতুন আরেকটা মেইল এড্রেসের সুবিধা নেয়া যায় তাহলে কেমন হয়?

হ্যাঁ, Gmail ও অন্যদের মত Alias মেইলের সুবিধা দিয়ে থাকে। তবে এক্ষেত্রে একটু বিপত্তি হচ্ছে, তারা একেবারে নতুন নামে মেইল এড্রেস তৈরি করতে দেয় না। বরং আপনার মেইল এড্রেসটিতে কিছু অতিরিক্ত অক্ষর ব্যবহার করে Alias মেইল তৈরির সুবিধা দেয়।

ধরুন আমার বর্তমান মেইল এড্রেসটি হচ্ছে "contactkosor@gmail.com"। এখন এর যদি আমি Alias তৈরি করে চাই তাহলে আমাকে এর সাথে বিশেষ শব্দ বা অক্ষর যুক্ত করে alias তৈরি করতে হবে। আমি যদি এর সাথে "blogs" লেখাটা যুক্ত করে alias তৈরি করতে চাই তাহলে আমার নতুন মেইল এড্রেসটি হবে "contactkosor+blogs@gmail.com" এবং এটিই আমার Gmail এর নতুন alias মেইল।



Gmail এর Alias তৈরির পদ্ধতি :

ধাপ ১ : আপনার Google Mail একাউন্টটিতে Log in করুন। সম্পূর্ণ লোড হয়ে যাবার পর গিয়ার আইকনে ক্লিক করে মেনু থেকে Settings সিলেক্ট করুন।




ধাপ ২ : Setting পেইজ আসার পর উপরের দিকে Accounts and Imports ট্যাব দেখতে পাবেন। এটাতে ক্লিক করুন।



ধাপ ৩ : Accounts and Imports এর ভেতরে "Send mail as:" অংশে আপনার বর্তমান মেইল এড্রেসটি দেখতে পারবেন। এর নিচেই রয়েছে "Add another email address you own" লিংকটাতে ক্লিক করুন। একটা নতুন window আসবে পর্দায়।



ধাপ ৪ : নতুন Window টিতে দুটি বক্স রয়েছে। এর প্রথমটিতে আপনি আপনার Alias মেইলে যেই নাম দিতে চান সেটি লিখে দিন। যেমন আমার মূল মেইলের বিপরীতে নাম ছিল “কিশোর মাহমুদ” আর নতুন Alias মেইলে আমি নামটিকে দিতে চাই “কিশোর ব্লগার”। তাই আমি এখন Name লেখা বক্সে “কিশোর ব্লগার” লিখে দিবো। এরপর রয়েছে Email address নামের আরও একটা বক্স। এটাতে আপনি প্রথমে আপনার মেইল এড্রেসটি লিখুন। এখন “@gmail.com” এর পূর্বে একটি যোগ চিহ্ন ( + ) দিন। এখন আপনার Alias নামটি লিখুন। যেমন আমি আমার alias নাম হিসেবে ব্যবহার করবো “blogs”। আর তাতে আমার নতুন মেইল alias টি হবে “contactkosor+blogs@gmail.com”। এরপর Next Step বাটনে ক্লিক করুন।


পেইজ রিলোড হলেই দেখতে পারবেন আপনার বর্তমান মেইলটার নিচেই নতুন এড্রেসটি যুক্ত হয়ে গেছে।




এবার চলুন Alias মেইলটি ব্যবহার করে দেখি....

মেইল বক্সে ঢুকে Compose বাটনে ক্লিক করুন। এরপর নতুন মেইল ইডিটরে From এর বক্সে একটা ড্রপ ডাউনের তীর দেখতে পাবেন। সেটাতে ক্লিক করলেই আপনার বর্তমান মেইল সহ Alias মেইল গুলি লিস্ট আকারে দেখাবে। যে কোন একটা Alias মেইল সিলেক্ট করুন। এরপর যার কাছে মেইল পাঠাবেন তার এড্রেস, মেইলের বিষয়বস্তু, আর মেইলটি লিখে Send বাটনে ক্লিক করুন।


এরপর যাকে পাঠালেন তার ইন বক্সে আপনার alias মেইলটিকে মেইলিং এড্রেস হিসেবে দেখতে পাবে।



Mail Filter তৈরি করার পদ্ধতি: 

  • মেইল বক্স থেকে মেইল সেটিংসে ঢুকুন। এরপর Filters ট্যাবে ক্লিক করুন। পূর্বে থেকেই যদি কোন ফিল্টার তৈরি করা থাকে সেটা আপনি এখানেই দেখতে পারবেন। আর না থাকলে চিত্রের মত শূন্য দেখাবে।

  • এখন নতুন Filter তৈরি করার জন্যে " Create a new filter " বাটনটিতে ক্লিক করুন। একটা নতুন ফর্ম আসবে। এর From এর ঘরে আপনার নতুন তৈরি করা Alias মেইলটি লিখুন। এরপর "Create filter with this search" লেখাটিতে ক্লিক করুন।


এখানে Apply the label এর চেক বক্সে ক্লিক করে লিস্ট থেকে "New label...." সিলেক্ট করুন। 


  • নতুন ফর্মের প্রথম বক্সটিতে যে নামে লেভেল দিতে চান সেই নামটি লিখুন। যেমন আমি দিয়েছি "Blogs", এরপর Create বাটনে ক্লিক করুন।


  • পূর্বের ফর্মের "Never send it to Spam" এবং "Also apply filter to matching conversation" লেখার চেক বক্স গুলি সিলেক্ট করুন। তারপর Create filter বাটনে ক্লিক করুন।



ফিল্টার লিস্টে আপনার তৈরিকৃত ফিল্টারটি দেখতে পাবেন। আর সাইডে আপনার দেয়া নামে একটি লেভেলও দেখা যাবে।



এখন লেভেলটিতে ক্লিক করলেই আপনার alias মেইলে যতগুলি মেইল এসেছে তা আলাদা ভাবে দেখতে পারবেন। একের অধিক Alias মেইল থাকলে ফিল্টার তৈরি করে ব্যবহার করলে খুব সহজেই মেইল গুলি আলাদা ভাবে দেখা যায় এই পদ্ধতিতে।




নিজে চেষ্টা করে দেখুন। কোন সমস্যা হলে অবশ্যই জানাবেন, যথাসম্ভব দ্রুত রিপ্লাই দেবার চেষ্টা করবো।

সময় নিয়ে পোষ্টটি পড়ার জন্যে অনেক ধন্যবাদ।















Read More »
Thursday, August 7, 2014

Outlook.com এ Alias মেইল তৈরি এবং তার ব্যবহার পদ্ধতি


আমাদের অনেক প্রয়োজনেই ২য় একটি মেইল এড্রেস এর প্রয়োজন দেখা দেয়। চাইলেই হুট করে আমরা ২য় আরও একটি মেইল আইডি খুলে নিতে পারি। কিন্তু কিছুদিন বাদেই দেখা যায় যে সেটা নিয়মিত ব্যবহার না করার কারণে কিংবা অন্যকোন সমস্যায় অথবা পাসওয়ার্ড ভুলে গিয়ে আর একসেস করতে পারি না।

এই ধরণের সমস্যার হাত থেকে সমাধানের জন্যে জনপ্রিয় মেইল সার্ভিস প্রোভাইডর গুলি বিভিন্ন উপায়ে দ্বিতীয় কিংবা প্রয়োজন সংখ্যক মেইল Alias ব্যবহার করার সুবিধা দিচ্ছে। এদের মধ্যে Outlook.com একটি যা পূর্বে Hotmail.com এবং Live.com নামে পরিচিত ছিল, তারাও এই সুবিধাটি দিচ্ছে। আর তাদের সুবিধার আলতায় আপনার বর্তমান মেইল এড্রেসটির সাথে মিল না রেখে সম্পূর্ণ নতুন নামের এড্রেস ব্যবহার করতে পারবেন আপনার বর্তমানের নিয়মিত Outlook একাউন্টের মাধ্যমে।

ধরুন আপনার বর্তমান মেইল এড্রেসটি হচ্ছে "mailmenow001@outlook.com" কিন্তু আপনি চাইছেন আপনার মেইল এড্রেস হবে "contactmenow@outlook.com"। এখন কেউ যদি পূর্বেই এই নতুন এড্রেসটি রেজিস্ট্রেশন না করে থাকে তবে সহজেই আপনি এই এড্রেসটি আপনার বর্তমান মেইল একাউন্টের মাধ্যমেই ব্যবহার করতে পারবেন। রেজিস্ট্রেশন শেষে মেইল পাঠাতে কিংবা মেইল গ্রহণ করতে ২টি এড্রেসই ব্যবহার করতে পারবেন।

তো চলুন, ঝটপট করে জেনে নেই কিভাবে এই দ্বিতীয় মেইল এড্রেস কিংবা Alias টি সেটআপ করবো আমরা।
তবে এই ক্ষেত্রে দুটো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মাথায় রাখতে হবে-
১ |  আপনার Recovery মেইল একাউন্টটি সচল থাকতে হবে। (যেটা একাউন্ট তৈরির সময় Recovery মেইল হিসেবে সেট করেছিলেন)
২ | আপনার Outlook মেইল একাউন্টটি মোবাইল ভেরিফিকেশন করা থাকতে হবে। (মোবাইল ভেরিফাই করা না থাকলে Alias মেইল কাজ করবে না, আর তৈরির পূর্বেই আপনাকে ভেরিফাই করে নিতে হবে)

Outlook / Hotmail / Live মেইল এর Alias তৈরির পদ্ধতি : 


  • ধাপ ১ : আপনার Outlook / Live / Hotmail একাউন্টে লগইন করুন। পেইজ লোডিং শেষে গিয়ার বাটনে ক্লিক করে মেনু থেকে Option সিলেক্ট করুন।



  • ধাপ ২ : "Managing your account" এর আলতায় থাকা "Create an Outlook.com alias" লিংকটিতে ক্লিক করুন। 

পুনরায় আপনার একাউন্টের পাসওয়ার্ড প্রদান করতে বলবে। পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করার পর আপনার একাউন্টটি মোবাইল ভেরিফাই করা থাকলে Recovery মেইল এড্রেসে একটি কনফার্মেশন কোড সহকারে মেইল পাঠাবে এই ধাপে। আর মোবাইল ভেরিফাই করা না থাকলে মোবাইল ভেরিফাই করতে বলবে। মোবাইল ভেরিফাই করে এবং মেইলে পাওয়া কনফার্মেশন কোড বক্সে বসিয়ে পরবর্তী ধাপে যেতে পারবেন। 




  • ধাপ ৩ : বক্সে আপনি যেই নাম দিয়ে Alias মেইলটি চালু করতে চান সেটি লিখতে হবে। উদাহরণ হিসেবে আমি প্রথমে "mail2oliver" লিখে "Create an alias" বাটনে ক্লিক করলাম। কিন্তু দেখুন এই মেইল আইডিটি পূর্বেই কেউ রেজিস্ট্রেশন করে নিয়েছে। তাই আর আমি সেটা ব্যবহার করতে পারবো না। 
এভাবে আপনিও চেক করে দেখুন যে আপনার কাঙ্ক্ষিত মেইল এড্রেসটি পূর্বেই কেউ রেজিস্ট্রেশন করে নিয়েছে কি না। যদি নিয়ে থাকে তবে ভিন্ন নামে চেষ্টা করতে হবে কিংবা নামের শেষে সংখ্যা বসিয়ে ও কাজ করতে পারবেন। আমি ভিন্ন নামে চেষ্টা করলাম, "oliverblog2" লিখে "Create an alias" ক্লিক করলাম। যেহেতু এই নামে কেউ পূর্বেই আইডি রেজিস্ট্রেশন করে নি তাই এটি আমি ব্যবহার করতে পারবো।


  • ধাপ ৪ : কাঙ্ক্ষিত মেইল Alias গ্রহণ করার পর এই Pop-up মেসেজটি দেখাবে। যেখানে আপনাকে জানানো হবে যে আপনার কাঙ্ক্ষিত মেইল এড্রেস টি তৈরি সম্পন্ন হয়েছে এবং আপনি চাইলে এই মেইলে আসা প্রতিটা মেইল একটি নির্দিষ্ট ফোল্ডার কিংবা ইন বক্সেই জমা রাখতে পারবেন। এখন আপনি যদি এই মেইলে আসা মেইল গুলিকে Inbox এ না রেখে অন্য কোন ফোল্ডার কিংবা নতুন একটি ফোল্ডারে রাখতে চান তা করতে পারবেন। আমার ক্ষেত্রে আমি "Oliver Blog" নামে নতুন একটি ফোল্ডারের নাম লিখে Done বাটনে ক্লিক করলাম। এখন "oliverblog2@outlook.com" এ আসা প্রতিটা মেইল ইন-বক্সে না এসে আমার তৈরি Oliver Blog নামের ফোল্ডারে জমা হবে।




আমাদের নূতন Mail Alias তৈরি করা সম্পন্ন হয়েছে। এবার একে টেস্ট করার পালা-

  • প্রথমে মেইল বক্সের উপরের বার থেকে New তে ক্লিক করুন।

  • উপরের বাম কর্নারে ড্রপ-ডাউন লিস্ট থেকে নতুন Alias মেইলটি সিলেক্ট করুন। এরপর যাকে মেইল করতে চান তার মেইল এড্রেসটি ২য় বক্সে লিখুন। মেইলের সাবজেক্ট এবং মেইল বডিতে মেইল লিখে Send বাটনে ক্লিক করুন।

কিছুক্ষণের মধ্যেই মেইলটি আপনার কাঙ্ক্ষিত ঠিকানায় গিয়ে পৌছবে।



*** অনেকের ক্ষেত্রে ঘণ্টা খানিক সময় লাগতে পারে মেইল Alias টি সচল হতে। তাই তৈরির পরপরই যদি ব্যবহার করতে সমস্যা হয় তাহলে ঘণ্টা খানিক পর চেষ্টা করুন। 


Alias মেইলকে Primary Mail হিসেবে সেট করার পদ্ধতি : 


এবার আপনি চাইলে Outlook.com এর একাউন্ট সেটিং থেকে নতুন তৈরি করা Alias মেইলটিকে Primary Mail হিসেবেও ব্যবহার করতে পারবেন। এটি করতে প্রথমে মেইল বক্সের ডান কোনায় আপনার নামের উপর ক্লিক করুন। এরপর মেনু থেকে Accounts Settings লেখাটার উপর ক্লিক করুন।



এরপর পাসওয়ার্ড দিয়ে আবার লগইন করলেই Microsoft Account এর ড্যাশ বোর্ডে নিয়ে যাবে। এখান থেকে Aliases অপশনে ক্লিক করলেই আপনার বর্তমান মেইল Alias গুলি দেখতে পারবেন। এখন যেই Alias মেইলটিকে Primary Mail হিসেবে ব্যবহার করতে চান সেটির নিচে লেখা "Make primary" তে ক্লিক করে কনফার্ম করুন। 



কিছুক্ষণের মধ্যেই আপনার Alias মেইলটি প্রাইমারি মেইলে পরিবর্তিত হয়ে যাবে।






























Read More »
Monday, July 14, 2014

...বিশ্বকাপ উন্মাদনা...


...বিশ্বকাপ উন্মাদনা...


লন্ডনের Emma Allen নামের একজন আর্টিস্ট নিজেকে বিশ্বকাপের ট্রফি হিসেবে উপস্থাপন করেছে। এই কাজটি করতে তার প্রায় ৩ ঘণ্টা সময় ব্যয় হয়েছে। আয়নার সামনে বসে নিজের চামড়ায় নিজেই রং করে গেছেন। আর তারপর কালো কুশনের সহায়তায় নিজেকে ঢেকে নিয়ে এই পেট্রিয়ট টাইপের ছবিটি তুলেছেন। imgur.com এ সেটা পোষ্ট করার পর এখন পর্যন্ত ছবিটি ৬,২৪,৮৫৫ বার হিট হয়েছে। 

London Evening Standard কে দেয়া একটা ইন্টার্ভিউতে Emma জানান যে, "সবচেয়ে কঠিন অংশটা ছিল হাতের কারুকাজটাকে মিলানো। আমাকে অনেক গুলি শট নিতে হয়েছে একে সঠিক রূপে উপস্থাপন করার জন্যে।" 

বিশ্বকাপকে ঘিরে নিজের উন্মাদনা আপন মেধা খাটিয়েও দেখানো যায়, এটা হচ্ছে তার একটা উজ্জ্বল প্রমাণ।




Read More »
Saturday, October 19, 2013

রক্তের গ্রুপ দিয়ে মানুষের বৈশিষ্ট্য বিচার


৯০এর দশকের মাঝামাঝি প্রকাশিত “You and your Blood type” গ্রন্থে মানুষের রক্তের গ্রুপের ভিন্নতা নিয়ে তাদের বৈশিষ্ট্য ব্যক্ত করেন বিশেষজ্ঞ “তসিকাতানমি” এবং “আলেকজেন্ডার বেলার”। চলুন দেখে নেই সেই রক্তের গ্রুপ বিবেচনায় ব্যক্তিত্বের  বিশ্লেষণ-


“A+” 

এই ব্লাডগ্রুপের মানুষেরা গোছগাছ প্রিয়, দক্ষ চাকুরে এবং খুঁতখুঁতে স্বভাবের হয়ে থাকে। এরা আত্মকেন্দ্রিক, সুবিচারক, শান্ত, নিয়মতান্ত্রিক, বিশ্বস্ত, নিয়মানুবর্তী ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন।

“A-” 

এই ব্লাড গ্রুপের মানুষেরা খুব খুঁতখুঁতে স্বভাবের এবং কিছুটা অমনোযোগী। কিন্তু অপ্রয়োজনীয় বিষয়ে বেশি মনোযোগী। এদের অন্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার প্রবণতা বেশি। এদের আছে নিজেকে লুকানোর অভ্যাস এবং একঘেয়েমি জীবন।

“B+” 

এই ব্লাড গ্রুপের মানুষেরা স্বাধীনচেতা, মেধাবী, নমনীয়, মনোযোগী, স্বাস্থ্যবান, সরল, দক্ষ, পরিকল্পনা বাদী, বাস্তববাদী, আবেগপ্রবণ এবং খুব বেশি রোমান্টিক হয়ে থাকে।

“B-” 

এই ব্লাড গ্রুপের মানুষেরা অসংযমী, অপরিণামদর্শী, দায়িত্বহীন, অলস, স্বার্থপর, অগোছালো, অবিবেচক এবং স্বার্থান্বেষী হয়ে থাকে।

“AB+” 

এই ব্লাড গ্রুপের মানুষেরা সাধারণত সুবিবেচক, বুদ্ধি সম্পন্ন, হিসেবী, পরিকল্পনা বাদী, সৎ কৌশলী সংবেদনশীল, নিরেট এবং খুব চমৎকার সাংগঠনিক হয়ে থাকে।

“AB-” 

এই ব্লাড গ্রুপের মানুষেরা দুর্বোধ্য, ক্ষমতাহীন, অন্যকে আঘাত করার প্রবণতা বেশি, এনার্জি স্বল্পতা, খুব বেশি রক্ষণশীল ও বড় বেশি সংবেদনশীল হয়ে থাকেন।

“O+” 

এই ব্লাড গ্রুপের মানুষেরা স্বচ্ছ দৃষ্টি সম্পন্ন, গভীর মনোযোগী, উচ্চাকাঙ্ক্ষী, স্বাস্থ্যবান, বাকপটু, বাস্তববাদী, রোমান্টিক এবং অত্যন্ত বুদ্ধিমান হয়ে থাকে।

“O-” 

এই গ্রুপের মানুষেরা সাধারণত অন্যের মতামতকে গ্রাহ্য করে না। সমাজে মর্যাদা বাড়াতে আগ্রহী, বড়লোকের সঙ্গপ্রিয় এবং বড় বেশি বাচাল।





এত কিছুর পরও কথা থেকে যায়। আসলে মানুষকে শতভাগ কোন পরীক্ষা কিংবা পরিসংখ্যান দিয়ে পরিমাপ করা সম্ভব না। এই সব বৈশিষ্ট্যের অনেক পজিটিভ দিক যেমন মিলে যায় আবার অনেক নেগেটিভ দিকও অমিলেই থেকে যায়। তাই শতভাগ নিশ্চিত করে মানুষের বৈশিষ্ট্যের বিচার বিশ্লেষণ করা সম্ভব না।
Read More »
Friday, September 13, 2013

সিনেমা থেকে উপলব্ধি : In Time (2011)


বেশ কিছুদিন আগে একটা মুভি দেখেছিলাম In Time শিরোনামের। এটা একটা সাইন্স ফিকশন মুভি। বর্তমানের জন্যে অসম্ভব এমন কিছু কল্পনা গুলোই দেখিয়েছে এটাতে। তেমন উল্লেখযোগ্য কিছু না থাকলেও কিছু জিনিষ আমার ব্যক্তিগত ভাবে ভাল লেগেছিল।



যারা মুভিটি দেখেছেন তারা জানেন মুভিটির নামের যথার্থতা রেখেছে তার ঘটনাপ্রবাহের মধ্যদিয়ে। আমরা মুখে মুখে সবাই এখন বলে থাকি "Time is money"। আর মুভিটিতে তা সরাসরি প্রয়োগ করে দেখানো হয়েছে। গল্পকার এখানে জীবনের সময় সত্যিকার অর্থেই মানুষের হাতে তুলে দিয়েছেন।

আমি মূল ঘটনার পাশ কাটিয়ে কিছু একটা বলবো। মুভিটিতে দেখানো হয়েছে নিত্য প্রয়োজনীয় এবং অপ্রয়োজনীয় সব কিছুই এখানে সময় বিনিময় করে নিজের করে নিতে হয়। সময় না থাকার দরুন সাধারণ জনগণ সেখানে রাস্তাঘাটে পড়ে থাকে, কেউ তার দিকে ফিরে পর্যন্ত চায় না। কেনই বা দেখবে? কি লাভ?? দেখতে গেলেই তো নিজের সময় নামের অর্থ ব্যয় হবে তার পেছনে।

অপরদিকে দেখানো হয়েছে সময়ের পাহাড় জমা করে তার উপর বিলাস বহুল জীবন পার করা একটা গোষ্ঠীকে। তারা শুধু আমোদ-ফুর্তি করেই তাদের সময় ব্যয় করে। নিজেদের ক্ষুদ্র সময় পর্যন্ত তারা কারো সাথে শেয়ার করতে রাজী না। সময় তাদের কাছে এত বেশি পরিমাণে মজুদ থাকার পরেও তারা ভয় পায়। ভয় পায় নিজেদের ক্ষুদ্র সময় নামের অর্থ গুলি চুরি যাবার..........


এখন বলুন, আমাদের বাস্তবতা কি এর থেকে অনেক ভিন্ন কিছু??
আমরা কি সত্যই নিজের কিছুটা সময় আর অর্থ ব্যয় করে কারো জন্যে একটু থেমে দাড়াই??
আর সমাজে যাদের সময় আর অর্থ দুইটাই আছে, তাদের সবাই কি কারো প্রয়োজনে নিজেদের হাতকে প্রসারিত করে??


Read More »
 
;